০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
জনগণের ভালোবাসা ও ত্যাগের রাজনীতি—মাঠে নিরলস বিএনপি নেতা

রাজশাহী-৩ আসন ভোটারদের আস্থার প্রতীক এ্যাড. শফিকুল হক মিলন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩২:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৮৫৬ বার পড়া হয়েছে

এমএস সাগর: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনী আমেজে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসন। চলছে রাজনৈতিক তৎপরতা, দলীয় সমীকরণ আর নতুন হিসাব-নিকাশ।

প্রায় ৪ লাখ ১৭ হাজার ভোটারের এই আসনটি ঐতিহ্যগতভাবে কৃষক, শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের ভোটের আসন। এখানে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।

২০১৩ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে মাঠে থাকা এই নেতার রাজনীতি পদ-পদবিনির্ভর নয়, বরং জনগণের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্কের এক অমলিন ইতিহাস। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মিলন আজও সেই দিনগুলোর ত্যাগ, পরিশ্রম ও বিশ্বাসকে পুঁজি করে এগিয়ে চলেছেন।

অসুস্থতা, প্রতিকূলতা কিংবা রাজনৈতিক সংকট— কোনো কিছুই তাকে থামাতে পারেনি। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পবা-মোহনপুরের প্রত্যন্ত গ্রাম, হাটবাজার ও জনপদে মানুষের খোঁজ নিচ্ছেন, শুনছেন তাদের কথা, জানাচ্ছেন বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির বার্তা।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন,

“মিলন ভাই শুধু রাজনীতিক নন, তিনি মানুষের আপনজন। পবা-মোহনপুরে কেউ বিপদে পড়লে সবার আগে পাশে থাকেন তিনি।”

“শফিকুল হক মিলন হচ্ছেন এ অঞ্চলের পরীক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য মুখ। তাঁর মাঠপর্যায়ের জনপ্রিয়তা বিএনপির মনোনয়ন ও নির্বাচনী জয়ে বড় ভূমিকা রাখবে।”

আগে থেকে গ্রীন সিগন্যাল পাওয়া অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন নিজের রাজনৈতিক দর্শন তুলে ধরে বলেন,

“২০১৩ সাল থেকে আমি দলীয় নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করছি। আগামী জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচিকে সামনে রেখে আমরা জনগণের মাঝে আছি, থাকব।”

তিনি আরও বলেন,

“বিগত ১৭ বছর পবা-মোহনপুরের মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। আমরা সেই অধিকার ফিরিয়ে দিতে চাই। এখানে কর্মসংস্থান, কৃষিভিত্তিক হাব ও তরুণদের জন্য টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন মানুষের শক্তিকে জনসম্পদে রূপান্তর করেছিলেন, আমরা তাঁর সেই আদর্শে বিশ্বাস করি।”

এদিকে, রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসন থেকে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে সাক্ষাৎকারের জন্য ডাক পেয়েছেন অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন। তিনি ২০১৮ সালের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী ছিলেন।

এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আরও পাঁচজন রয়েছেন— রাজশাহী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি তোফাজ্জাল হোসেন তপু, জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা রায়হানুল আলম রায়হান, মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুস সামাদ, সাবেক ছাত্রনেতা ইকবাল হোসেন এবং বিএনপির প্রয়াত মন্ত্রী কবীর হোসেনের পুত্র নাসির হোসেন অস্থির।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থী হিসেবে অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদকে মনোনয়ন দিয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজশাহী-৩ আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা থাকলেও তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় ঐক্য সুদৃঢ়। দলের প্রার্থী নির্ধারিত হলে সবাই তাঁকে ঘিরে একক প্ল্যাটফর্মে কাজ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পবা-মোহনপুরের ভোটাররা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে এ আসনের উন্নয়ন কার্যক্রম স্থবির হয়ে আছে। তাঁরা এমন প্রার্থী চান, যিনি জনগণের পাশে থেকে কথা রাখবেন এবং এলাকায় শিক্ষা, কৃষি ও কর্মসংস্থানে বাস্তব পরিবর্তন আনবেন।

রাজশাহী-৩ আসনের মানুষ আজ একটি নতুন ভোরের প্রত্যাশায়। তারা এমন একজন নেতার খোঁজে, যিনি শুধু প্রতিশ্রুতি দেবেন না, বাস্তবে কাজও করবেন। সেই নেতার নাম— অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।

ধানের শীষের প্রতীকেই জনগণের বিশ্বাস, আর সেই বিশ্বাসের প্রতীক হয়ে উঠেছেন অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন— জনগণের আস্থার নাম, ত্যাগের প্রতিচ্ছবি, রাজশাহী-৩-এর আগামী দিনের স্বপ্ন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনগণের ভালোবাসা ও ত্যাগের রাজনীতি—মাঠে নিরলস বিএনপি নেতা

রাজশাহী-৩ আসন ভোটারদের আস্থার প্রতীক এ্যাড. শফিকুল হক মিলন

আপডেট সময় : ০৪:৩২:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

এমএস সাগর: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনী আমেজে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসন। চলছে রাজনৈতিক তৎপরতা, দলীয় সমীকরণ আর নতুন হিসাব-নিকাশ।

প্রায় ৪ লাখ ১৭ হাজার ভোটারের এই আসনটি ঐতিহ্যগতভাবে কৃষক, শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের ভোটের আসন। এখানে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।

২০১৩ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে মাঠে থাকা এই নেতার রাজনীতি পদ-পদবিনির্ভর নয়, বরং জনগণের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্কের এক অমলিন ইতিহাস। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মিলন আজও সেই দিনগুলোর ত্যাগ, পরিশ্রম ও বিশ্বাসকে পুঁজি করে এগিয়ে চলেছেন।

অসুস্থতা, প্রতিকূলতা কিংবা রাজনৈতিক সংকট— কোনো কিছুই তাকে থামাতে পারেনি। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পবা-মোহনপুরের প্রত্যন্ত গ্রাম, হাটবাজার ও জনপদে মানুষের খোঁজ নিচ্ছেন, শুনছেন তাদের কথা, জানাচ্ছেন বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির বার্তা।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন,

“মিলন ভাই শুধু রাজনীতিক নন, তিনি মানুষের আপনজন। পবা-মোহনপুরে কেউ বিপদে পড়লে সবার আগে পাশে থাকেন তিনি।”

“শফিকুল হক মিলন হচ্ছেন এ অঞ্চলের পরীক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য মুখ। তাঁর মাঠপর্যায়ের জনপ্রিয়তা বিএনপির মনোনয়ন ও নির্বাচনী জয়ে বড় ভূমিকা রাখবে।”

আগে থেকে গ্রীন সিগন্যাল পাওয়া অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন নিজের রাজনৈতিক দর্শন তুলে ধরে বলেন,

“২০১৩ সাল থেকে আমি দলীয় নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করছি। আগামী জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচিকে সামনে রেখে আমরা জনগণের মাঝে আছি, থাকব।”

তিনি আরও বলেন,

“বিগত ১৭ বছর পবা-মোহনপুরের মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। আমরা সেই অধিকার ফিরিয়ে দিতে চাই। এখানে কর্মসংস্থান, কৃষিভিত্তিক হাব ও তরুণদের জন্য টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন মানুষের শক্তিকে জনসম্পদে রূপান্তর করেছিলেন, আমরা তাঁর সেই আদর্শে বিশ্বাস করি।”

এদিকে, রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসন থেকে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে সাক্ষাৎকারের জন্য ডাক পেয়েছেন অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন। তিনি ২০১৮ সালের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী ছিলেন।

এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আরও পাঁচজন রয়েছেন— রাজশাহী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি তোফাজ্জাল হোসেন তপু, জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা রায়হানুল আলম রায়হান, মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুস সামাদ, সাবেক ছাত্রনেতা ইকবাল হোসেন এবং বিএনপির প্রয়াত মন্ত্রী কবীর হোসেনের পুত্র নাসির হোসেন অস্থির।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থী হিসেবে অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদকে মনোনয়ন দিয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজশাহী-৩ আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা থাকলেও তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় ঐক্য সুদৃঢ়। দলের প্রার্থী নির্ধারিত হলে সবাই তাঁকে ঘিরে একক প্ল্যাটফর্মে কাজ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পবা-মোহনপুরের ভোটাররা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে এ আসনের উন্নয়ন কার্যক্রম স্থবির হয়ে আছে। তাঁরা এমন প্রার্থী চান, যিনি জনগণের পাশে থেকে কথা রাখবেন এবং এলাকায় শিক্ষা, কৃষি ও কর্মসংস্থানে বাস্তব পরিবর্তন আনবেন।

রাজশাহী-৩ আসনের মানুষ আজ একটি নতুন ভোরের প্রত্যাশায়। তারা এমন একজন নেতার খোঁজে, যিনি শুধু প্রতিশ্রুতি দেবেন না, বাস্তবে কাজও করবেন। সেই নেতার নাম— অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।

ধানের শীষের প্রতীকেই জনগণের বিশ্বাস, আর সেই বিশ্বাসের প্রতীক হয়ে উঠেছেন অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন— জনগণের আস্থার নাম, ত্যাগের প্রতিচ্ছবি, রাজশাহী-৩-এর আগামী দিনের স্বপ্ন।