০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে মাঠে থাকুন বিপ্লব ও সংহতি দিবসে-শফিকুল হক মিলন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৩:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৫৭৬ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী প্রতিনিধিঃ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজশাহীর পবা ও মোহনপুর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে নওহাটায় আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহসম্পাদক ও রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।

বক্তব্যে মিলন বলেন, “পলাতক স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনাকে চিরতরে জনগণের মন থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল। কিন্তু বিএনপি শত বাধা, নির্যাতন ও নিপীড়নের মধ্যেও প্রতি বছর এই দিনটি পালন করে আসছে।”

তিনি আরও বলেন, “১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ছিল বাংলার ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। এই দিনে সিপাহী-জনতা একত্র হয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতির সূচনা করেছিল। শহীদ জিয়াউর রহমানই পরবর্তীতে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ দেখান, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।”

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে মিলন বলেন, “সরকার নির্বাচনের সময় ঘোষণা করেছে, বিএনপিও সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। জনগণ এখন পরিবর্তন চায়, গণতন্ত্র চায়। ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”

তিনি অভিযোগ করেন, “জামায়াত নির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা বললেও তারা নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে। জনগণকে ধোঁকা দিতে নানা কৌশল নিচ্ছে, তবে এই ছলনা সফল হবে না।”

বিএনপি নেতা আরও বলেন, “দেশে এখন গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। একটি মহল আবারও বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিতে চায়। কিন্তু বিএনপি গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শই আমাদের প্রেরণা।”

সভা শেষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি নওহাটা বাজারের পবা থানা মোড় থেকে শুরু হয়ে নওহাটা কলেজ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এতে বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী অংশ নেন। র‍্যালিতে নেতাকর্মীদের মধ্যে ছিল উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন নওহাটা পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রাকিবুল ইসলাম পিটার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওহাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা বিএনপির সদস্য শেখ মকবুল হোসেন, পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক শফিকুল আলম সমাপ্ত, সদস্য সচিব আকুল হোসেন মিঠু, বিএনপি নেতা গোলাম মোর্তুজা, এমদাদুল হক, শরীফুর রহমান শরীফ, জেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি ড. মোজাফফর হোসেন মুকুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান লিটন, সদস্য সচিব শাহরিয়ার আমিন বিপুল, নওহাটা পৌর ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবজাল হোসেন, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কে.এইচ. রানা শেখ, সদস্য ইফতেখারুল ইসলাম ডনি, নওহাটা পৌর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক সুজন মোল্লা, যুগ্ম আহ্বায়ক মিজান, মিলন, আজাদ, সুমন, মকসেদ ও ইলিয়াস, এবং পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রহমান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে মাঠে থাকুন বিপ্লব ও সংহতি দিবসে-শফিকুল হক মিলন

আপডেট সময় : ০৪:০৩:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

রাজশাহী প্রতিনিধিঃ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজশাহীর পবা ও মোহনপুর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে নওহাটায় আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহসম্পাদক ও রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।

বক্তব্যে মিলন বলেন, “পলাতক স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনাকে চিরতরে জনগণের মন থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল। কিন্তু বিএনপি শত বাধা, নির্যাতন ও নিপীড়নের মধ্যেও প্রতি বছর এই দিনটি পালন করে আসছে।”

তিনি আরও বলেন, “১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ছিল বাংলার ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। এই দিনে সিপাহী-জনতা একত্র হয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতির সূচনা করেছিল। শহীদ জিয়াউর রহমানই পরবর্তীতে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ দেখান, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।”

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে মিলন বলেন, “সরকার নির্বাচনের সময় ঘোষণা করেছে, বিএনপিও সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। জনগণ এখন পরিবর্তন চায়, গণতন্ত্র চায়। ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”

তিনি অভিযোগ করেন, “জামায়াত নির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা বললেও তারা নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে। জনগণকে ধোঁকা দিতে নানা কৌশল নিচ্ছে, তবে এই ছলনা সফল হবে না।”

বিএনপি নেতা আরও বলেন, “দেশে এখন গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। একটি মহল আবারও বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিতে চায়। কিন্তু বিএনপি গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শই আমাদের প্রেরণা।”

সভা শেষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি নওহাটা বাজারের পবা থানা মোড় থেকে শুরু হয়ে নওহাটা কলেজ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এতে বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী অংশ নেন। র‍্যালিতে নেতাকর্মীদের মধ্যে ছিল উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন নওহাটা পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রাকিবুল ইসলাম পিটার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওহাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা বিএনপির সদস্য শেখ মকবুল হোসেন, পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক শফিকুল আলম সমাপ্ত, সদস্য সচিব আকুল হোসেন মিঠু, বিএনপি নেতা গোলাম মোর্তুজা, এমদাদুল হক, শরীফুর রহমান শরীফ, জেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি ড. মোজাফফর হোসেন মুকুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান লিটন, সদস্য সচিব শাহরিয়ার আমিন বিপুল, নওহাটা পৌর ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবজাল হোসেন, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কে.এইচ. রানা শেখ, সদস্য ইফতেখারুল ইসলাম ডনি, নওহাটা পৌর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক সুজন মোল্লা, যুগ্ম আহ্বায়ক মিজান, মিলন, আজাদ, সুমন, মকসেদ ও ইলিয়াস, এবং পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রহমান।