০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তানোরে গৃহবধূকে অপহরণ করে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৬:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৬০৬ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীর তানোরে এক গৃহবধূকে (৩৪) অপহরণ করে আত্মীয়ের বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তিনজনকে আসামি করে একটি মামলা হয়েছে।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে তানোর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের সাহাপুর গ্রামের ওই গৃহবধূকে তাঁর স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে স্থানীয় তিন ব্যক্তি জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়।

অভিযুক্তরা হলেন— সাহাপুর গ্রামের সুমন (৪৫), শফিকুল ইসলাম (৪৭) এবং পলাশ (৪২)।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত সুমন অপর দুইজনের সহযোগিতায় গৃহবধূকে মাইক্রোবাসে করে রাজশাহীতে নিয়ে যায়। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসযোগে গাজীপুর জেলার শ্রীপুরের লালমাটিয়া এলাকায় তার এক আত্মীয়ের বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে একটি কক্ষে সারাদিন আটকে রেখে সুমন গৃহবধূর ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগে বলা হয়।

পরবর্তীতে ২৮ অক্টোবর সুমন তাঁকে রাজশাহীতে ফিরিয়ে এনে বাসস্ট্যান্ডে রেখে পালিয়ে যায়।

দুই সন্তানের জননী ওই গৃহবধূ বর্তমানে তানোর থানাধীন কলমা ইউনিয়নের অমৃতপুর গ্রামে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন।

ভুক্তভোগী অভিযোগে বলেন, ঘটনার পর থেকে আসামিপক্ষ বিভিন্নভাবে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় পরিবারটি এখন নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।

তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আফজাল হোসেন বলেন, “ঘটনার পর মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তানোরে গৃহবধূকে অপহরণ করে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:১৬:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীর তানোরে এক গৃহবধূকে (৩৪) অপহরণ করে আত্মীয়ের বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তিনজনকে আসামি করে একটি মামলা হয়েছে।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে তানোর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের সাহাপুর গ্রামের ওই গৃহবধূকে তাঁর স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে স্থানীয় তিন ব্যক্তি জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়।

অভিযুক্তরা হলেন— সাহাপুর গ্রামের সুমন (৪৫), শফিকুল ইসলাম (৪৭) এবং পলাশ (৪২)।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত সুমন অপর দুইজনের সহযোগিতায় গৃহবধূকে মাইক্রোবাসে করে রাজশাহীতে নিয়ে যায়। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসযোগে গাজীপুর জেলার শ্রীপুরের লালমাটিয়া এলাকায় তার এক আত্মীয়ের বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে একটি কক্ষে সারাদিন আটকে রেখে সুমন গৃহবধূর ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগে বলা হয়।

পরবর্তীতে ২৮ অক্টোবর সুমন তাঁকে রাজশাহীতে ফিরিয়ে এনে বাসস্ট্যান্ডে রেখে পালিয়ে যায়।

দুই সন্তানের জননী ওই গৃহবধূ বর্তমানে তানোর থানাধীন কলমা ইউনিয়নের অমৃতপুর গ্রামে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন।

ভুক্তভোগী অভিযোগে বলেন, ঘটনার পর থেকে আসামিপক্ষ বিভিন্নভাবে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় পরিবারটি এখন নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।

তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আফজাল হোসেন বলেন, “ঘটনার পর মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।