রাজশাহীর ছয় আসনে ৩৮ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল
- আপডেট সময় : ০৫:২০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ৬১৫ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহী প্রতিনিধি: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজশাহীর ছয়টি আসনে মোট ৩৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থীরা জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ৩৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর আগে এসব আসনে ৫৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেছিলেন।
রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৬ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বিএনপি থেকে শরীফ উদ্দীন এবং জামায়াতে ইসলামীর মুজিবুর রহমান উল্লেখযোগ্য।
রাজশাহী-২ (সদর) আসনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এদের মধ্যে বিএনপি থেকে মিজানুর রহমান মিনু, জামায়াতে ইসলামী থেকে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, এবি পার্টির সাঈদ নোমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মদ ফজলুল করিম, এলডিপির ওয়াহেদুজ্জামান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মেজবাউল ইসলাম, নাগরিক ঐক্যের মোহাম্মদ সামছুল আলম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে শাহাবুদ্দিন ও সালেহ আহমেদ রয়েছেন।
রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিএনপি থেকে এ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, জামায়াতে ইসলামী থেকে অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় পার্টির আফজাল হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুর রহমান, আমজনতার দলের সাইদ পারভেজ, স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাবুদ্দিন ও হাবিবা বেগম এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে বিএনপির ডিএমডি জিয়াউর রহমান ও জামায়াতের আব্দুল বারী সরকারসহ মোট ৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি থেকে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ও জামায়াতে ইসলামী থেকে পুঠিয়া উপজেলা আমির মাওলানা মনজুর রহমান রয়েছেন।
রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে ৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এদের মধ্যে বিএনপি থেকে আবু সাইদ চাঁদ ও জামায়াতে ইসলামী থেকে নাজমুল হক আছেন।
নির্বাচনি তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত, যা নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ হবে ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি থেকে এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।














