০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিকদের পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারে বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের মিলনমেলা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫১:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৫৬৫ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী প্রতিনিধি: শীতের স্নিগ্ধ সকালে কুয়াশা ভেদ করে পেশাগত ব্যস্ততা ভুলে সহকর্মী ও পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে বগুড়ার উদ্দেশে রওনা দেন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সদস্য ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বগুড়ার ‘মম ইন ইকো পার্কে” আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের বার্ষিক পারিবারিক মিলনমেলা–২০২৬।

দিনব্যাপী নানা আয়োজনে মুখরিত ছিল পার্ক প্রাঙ্গণ। সকাল থেকেই সদস্য ও তাঁদের পরিবারবর্গ উৎসবমুখর পরিবেশে অংশ নেন। শিশুদের জন্য ছিল আকর্ষণীয় বিভিন্ন রাইড, আর অন্যরা মেতে ওঠেন আড্ডা ও স্মৃতিচারণে।

প্রতিবছরের ন্যায় এইবার ও ১০২ সদস্য নিয়ে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, আনন্দঘন মূহুর্ত ও পারিবারিক মেলবন্ধন জোরদার করতে মিলনমেলার আয়োজন করেছে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাব।

দুপুরের খাবার শেষে বিকেলে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সভায় বক্তারা বলেন, সাংবাদিকতা একটি চ্যালেঞ্জিং ও পরিশ্রমসাধ্য পেশা। সারাক্ষণ খবরের পেছনে ছুটতে গিয়ে পরিবারকে সময় দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তাই এ ধরনের আয়োজন সহকর্মীদের মাঝে পারস্পরিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে এবং মানসিক ক্লান্তি দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ প্রতিদিন এর সিনিয়র সাংবাদিক কাজী শাহেদ। তিনি বলেন, “রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের কর্মপদ্ধতি ও সদস্যদের আন্তরিকতা সত্যিই প্রশংসনীয়। একে অপরের প্রতি সহযোগিতা ও পারিবারিক বন্ধনের যে উদাহরণ তারা স্থাপন করেছেন, তা অন্যান্য সংগঠনের জন্য অনুকরণীয়।”

প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম বলেন, “এ ধরনের আয়োজন কেবল বিনোদনের জন্য নয়, বরং এটি সহকর্মীদের মধ্যে পেশাগত দূরত্ব কমিয়ে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করে। একটি ঐক্যবদ্ধ প্রেসক্লাবই পারে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে।”

অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের প্রেসিডিয়াম মেম্বার, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, সাধারণ সদস্য ও তাঁদের পরিবারের প্রায় দুই শতাধিক ব্যক্তি অংশ নেন।

পড়ন্ত বিকেলে সূর্যাস্তের সঙ্গে সমাপ্ত হয় দিনব্যাপী এই আনন্দঘন আয়োজন। বিদায়ের মুহূর্তে সবার চোখেমুখে ফুটে ওঠে প্রশান্তি ও একগুচ্ছ রঙিন স্মৃতি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সাংবাদিকদের পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারে বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের মিলনমেলা

আপডেট সময় : ০৫:৫১:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

রাজশাহী প্রতিনিধি: শীতের স্নিগ্ধ সকালে কুয়াশা ভেদ করে পেশাগত ব্যস্ততা ভুলে সহকর্মী ও পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে বগুড়ার উদ্দেশে রওনা দেন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সদস্য ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বগুড়ার ‘মম ইন ইকো পার্কে” আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের বার্ষিক পারিবারিক মিলনমেলা–২০২৬।

দিনব্যাপী নানা আয়োজনে মুখরিত ছিল পার্ক প্রাঙ্গণ। সকাল থেকেই সদস্য ও তাঁদের পরিবারবর্গ উৎসবমুখর পরিবেশে অংশ নেন। শিশুদের জন্য ছিল আকর্ষণীয় বিভিন্ন রাইড, আর অন্যরা মেতে ওঠেন আড্ডা ও স্মৃতিচারণে।

প্রতিবছরের ন্যায় এইবার ও ১০২ সদস্য নিয়ে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, আনন্দঘন মূহুর্ত ও পারিবারিক মেলবন্ধন জোরদার করতে মিলনমেলার আয়োজন করেছে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাব।

দুপুরের খাবার শেষে বিকেলে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সভায় বক্তারা বলেন, সাংবাদিকতা একটি চ্যালেঞ্জিং ও পরিশ্রমসাধ্য পেশা। সারাক্ষণ খবরের পেছনে ছুটতে গিয়ে পরিবারকে সময় দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তাই এ ধরনের আয়োজন সহকর্মীদের মাঝে পারস্পরিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে এবং মানসিক ক্লান্তি দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ প্রতিদিন এর সিনিয়র সাংবাদিক কাজী শাহেদ। তিনি বলেন, “রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের কর্মপদ্ধতি ও সদস্যদের আন্তরিকতা সত্যিই প্রশংসনীয়। একে অপরের প্রতি সহযোগিতা ও পারিবারিক বন্ধনের যে উদাহরণ তারা স্থাপন করেছেন, তা অন্যান্য সংগঠনের জন্য অনুকরণীয়।”

প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম বলেন, “এ ধরনের আয়োজন কেবল বিনোদনের জন্য নয়, বরং এটি সহকর্মীদের মধ্যে পেশাগত দূরত্ব কমিয়ে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করে। একটি ঐক্যবদ্ধ প্রেসক্লাবই পারে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে।”

অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের প্রেসিডিয়াম মেম্বার, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, সাধারণ সদস্য ও তাঁদের পরিবারের প্রায় দুই শতাধিক ব্যক্তি অংশ নেন।

পড়ন্ত বিকেলে সূর্যাস্তের সঙ্গে সমাপ্ত হয় দিনব্যাপী এই আনন্দঘন আয়োজন। বিদায়ের মুহূর্তে সবার চোখেমুখে ফুটে ওঠে প্রশান্তি ও একগুচ্ছ রঙিন স্মৃতি।