রাজশাহী বার এর উন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি এমপি মিলনের
- আপডেট সময় : ০৩:৫২:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
- / ৫১৪ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন–২০২৬ উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল মনোনীত আবুল কাসেম–পারভেজ জাহেদী প্যানেলের পরিচিতি সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর কাদিরগঞ্জ গেটার রোডে শাহ ডাইন কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ (পবা–মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি মিলন বলেন, নির্বাচিত হলে আইনজীবীদের সুবিধার্থে বহুতল বার ভবন নির্মাণ করা হবে। তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবীরা দায়িত্বে থাকলেই বারের উন্নয়ন হয় এবং আইনজীবীরা তাদের ন্যায্য অধিকার পান।
বর্তমানে মরণোত্তর অনুদানের অর্থ দ্বিগুণ করা হয়েছে এবং জুনিয়র আইনজীবীদের কাজের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাজশাহী বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক জমসেদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন বার সমিতির সভাপতি আবুল কাসেম।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন রাজশাহী জজ কোর্টের জিপি মাইনুল আহসান পান্না, পিপি রাইমুল ইসলাম, জামায়াতের নায়েবে আমির আবু মোহাম্মদ সেলিম, মহানগরের পিপি অ্যাডভোকেট আলী আশরাফ মাসুম, অ্যাডভোকেট পারভেজ তৌফিক জাহেদী, অ্যাডভোকেট মজিজুল হক ও অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলামসহ জজ কোর্টের বিভিন্ন আইনজীবী।
সভায় আবুল কাসেম–পারভেজ জাহেদী প্যানেলের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। ইশতেহারে প্রতি বছর নতুন সদস্যদের জন্য উৎসব ভাতা হিসেবে বাৎসরিক ৪০ হাজার টাকা প্রদানের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া মৃত্যুকালীন দাবির অর্থ দ্রুত পরিশোধ, কল্যাণ তহবিলের সর্বোচ্চ স্ল্যাব ২০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ লাখ টাকা এবং ২০৩২ সালের মধ্যে তা ৫০ লাখ টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হয়।
আইনজীবীদের বসার স্থানের স্থায়ী সমাধানে পুরাতন ১ নম্বর বার ভবনের স্থলে বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণের কথা জানানো হয়। পাশাপাশি বার কাউন্সিলে প্রদত্ত নিয়মিত চাঁদা বার তহবিল থেকে প্রদান, দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা অব্যাহত রাখা, বিশুদ্ধ মিনারেল ওয়াটার সরবরাহ এবং নতুন টেলিফোন নির্দেশিকা প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়।
আইনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বার ভবনগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম গড়ে তোলার পাশাপাশি আদালত চত্বরে টাউট ও দালাল উচ্ছেদে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। এছাড়া বার-বেঞ্চের সুসম্পর্ক বজায় রাখতে মাসিক মতবিনিময় সভা আয়োজনের কথাও বলা হয়।
আইনজীবীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে সেমিনার ও প্রশিক্ষণ আয়োজন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টি এবং নেতৃত্ব বিকাশে নির্বাহী কমিটিতে পরপর দুইবারের বেশি নির্বাচিত না হওয়ার বিধান পুনর্বহালের প্রস্তাবও ইশতেহারে রয়েছে।
সভা শেষে ইফতারের আগে দেশ ও জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।















