পদ্মা ব্যারেজ, কার্গো ফ্লাইট, বীজ সংরক্ষণাগার ও মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের দাবি
জাতীয় সংসদে রাজশাহীর উন্নয়ন ইস্যুতে সরব এমপি মিলন
- আপডেট সময় : ০৪:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
- / ৫১১ বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন তার নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেছেন।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি স্পিকারকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় ধন্যবাদ জানান এবং ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান। এ সময় তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে শ্রদ্ধা জানান এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। পাশাপাশি দলীয় নেতৃত্ব ও তাকে মনোনয়ন দেওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং পবা-মোহনপুরবাসীর প্রতি ধন্যবাদ জানান।
সংসদে দেওয়া বক্তব্যে এমপি মিলন বলেন, দেশ ও জাতির স্বার্থে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং রাষ্ট্রপতি তার ভাষণে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও বাস্তবতা তুলে ধরেছেন। তিনি অতীতের রাজনৈতিক সহিংসতা ও দুর্নীতির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তা স্বীকার করায় রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানান।
রাজশাহীর উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কৃষি উন্নয়নের জন্য ঘোষিত পদ্মা ব্যারেজ দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি। পাশাপাশি কৃষকদের সহায়তায় ক্ষুদ্র ঋণ মওকুফের উদ্যোগ বাস্তবায়নের বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।
নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে এমপি মিলন বলেন, রাজশাহী কৃষি প্রধান অঞ্চল হলেও এখানকার কৃষিপণ্য সরাসরি দেশের বাইরে পাঠানোর সুযোগ নেই। এ কারণে রাজশাহী থেকে কার্গো বিমান চালুর দাবি জানান তিনি। এছাড়া শাহ মখদুম বিমানবন্দরকে আধুনিকায়ন করে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং ওয়াই-ফাই সুবিধার আওতায় আনারও দাবি জানান।
তিনি আরও বলেন, এলাকায় বেকারত্ব দূর করতে এগ্রোভিত্তিক শিল্প স্থাপন জরুরি। একই সঙ্গে বীজ সংরক্ষণের জন্য আধুনিক হিমাগার নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
স্বাস্থ্যখাতের অব্যবস্থাপনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। দ্রুত এ প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানান তিনি।
বক্তব্যের শেষাংশে এমপি মিলন অতীতের রাজনৈতিক সংগ্রাম স্মরণ করে ভবিষ্যতের উন্নয়নমুখী বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
এদিকে সংসদে রাজশাহী ও পবা-মোহনপুর এলাকার উন্নয়ন সংক্রান্ত দাবি তুলে ধরায় স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।























