সংরক্ষিত আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে রাজশাহীর ছয় নেত্রী
- আপডেট সময় : ০৬:৪২:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
- / ৫৩৩ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহী প্রতিনিধি: জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে শুক্রবার দলীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন রাজশাহীর অ্যাডভোকেট সামশাদ বেগম মিতালি। তিনি শনিবার ফরম জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মিতালী ছাড়াও সাবেক নারী সংসদ সদস্য ও দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জাহান পান্না, জেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রত্না খাতুন এবং চারঘাট মহিলা দল নেত্রী নাজমা আক্তার নোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।
এছাড়া কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাহমুদা হাবিবা এবং মহিলা দলের রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রোকসানা বেগম টুকটুকি-ও মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে পারেন বলে জানা গেছে। এতে সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন দৌড়ে ছয় নেত্রীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি হয়েছে।
এদের মধ্যে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন শামসাদ বেগম মিতালী। তিনি বর্তমানে রাজশাহী জেলা মহিলা দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে জেলা বিএনপির মহিলাবিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘদিনের রাজপথের রাজনীতি, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে সুপরিচিত।
দলীয় সূত্র জানায়, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের পাশাপাশি গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের আইনি সহায়তা দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেছেন মিতালী। রাজনৈতিক জীবনের এক পর্যায়ে কারাবরণ করায় ‘কারা নির্যাতিত নেত্রী’ হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।
পারিবারিকভাবেও তিনি রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ধারক। তার বাবা আব্দুল হামিদ মরু ছিলেন বাগমারা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান। তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সংগঠকদের একজন এবং রাজশাহী জেলা বিএনপির সহসভাপতি ছিলেন। ২০০৩ সালে সন্ত্রাসী হামলায় তিনি নিহত হন, যা সে সময় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য, দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং দুঃসময়ে দলের পাশে থাকার ইতিহাস—এই তিন বিবেচনায় সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন দৌড়ে শামসাদ বেগম মিতালী শক্ত অবস্থানে রয়েছেন।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, “দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থেকেছি এবং নেতাকর্মীদের আইনি সহায়তা দিয়েছি। আমার ত্যাগ ও অবদান দল মূল্যায়ন করবে বলে আমি













