তরুণদের সঠিক পথে রাখতে ক্রীড়া ও নৈতিক শিক্ষার বিকল্প নেই: এমপি মিলন
- আপডেট সময় : ০১:৩৬:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
- / ৫২৫ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহী প্রতিনিধি: দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ক্রীড়া উন্নয়ন ও নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পবা-মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।
সোমবার (৪ মে) রাজশাহীর পবা ও মোহনপুর উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা) ২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি মিলন বলেন, শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে শিক্ষিত করে তুলতে হবে। নৈতিক শিক্ষার ঘাটতি থাকলে তরুণরা সহজেই বিপথগামী হতে পারে। তাই ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হলে ‘মানুষের মতো মানুষ’ তৈরি করা জরুরি।

খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, খেলাধুলা দলগত চেতনা, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত অনুশীলন ও সঠিক কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে মাঠে অর্জিত অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ কর্মজীবনেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
তিনি আরও জানান, তৃণমূল পর্যায় থেকে খেলাধুলার সুযোগ সম্প্রসারণ, বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
মোহনপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিমা বিনতে আখতার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জোবায়দা সুলতানা, মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার মো. তারিকুল ইসলাম।
এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-অর-রশীদ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাচ্চু রহমান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কাজিম উদ্দিন এবং জেলা বিএনপির সদস্য মিজানুর রহমান মিজান, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম।
অন্যদিকে, পবার দুয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনুল আবেদীন, নওহাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র শেখ মকবুল হোসেন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।









