০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাঁচবিবিতে মিথ্যা যৌতুক মামলা করায় বাদীকে দণ্ড: ২ হাজার টাকা জরিমানা ও কারাদণ্ড

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৭:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৯৭১ বার পড়া হয়েছে

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে দায়ের করা একটি যৌতুক মামলায় মিথ্যা তথ্য প্রদান করায় বাদী হানিফা খাতুন-কে ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক জনাব আরিফুল ইসলাম। রায়টি প্রদান করা হয় আজ, ০৭ আগস্ট ২০২৫।

সি.আর. মামলা নং ২৭৯/২৩ অনুযায়ী, বাদী অভিযোগ করেছিলেন, আসামী জাহাঙ্গীর আলম ১ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য তাকে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। অভিযোগপত্রে সালিশ বৈঠকের উল্লেখ থাকলেও, উক্ত বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা বলা একজন সাক্ষী জেরা চলাকালে আদালতে জানান, তিনি আসামীকে ডাকার বিষয়ে কিছুই জানেন না।

এছাড়াও বাদী তার মামলায় তার পিতা বা ভাইকে সাক্ষী হিসেবে হাজির করতে পারেননি, যদিও তাদের উপস্থিতির কথা তিনি দাবি করেছিলেন। এসব অসামঞ্জস্যতার কারণে আদালত মামলাটি মিথ্যা বিবেচনায় খারিজ করে আসামীকে খালাস দেন এবং বাদীকে দণ্ডিত করেন।

পরে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ এর ২৫০ ধারায় বাদীকে শোকজ করা হয় এবং সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় আদালত তাকে অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পাঁচবিবিতে মিথ্যা যৌতুক মামলা করায় বাদীকে দণ্ড: ২ হাজার টাকা জরিমানা ও কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:৩৭:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে দায়ের করা একটি যৌতুক মামলায় মিথ্যা তথ্য প্রদান করায় বাদী হানিফা খাতুন-কে ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক জনাব আরিফুল ইসলাম। রায়টি প্রদান করা হয় আজ, ০৭ আগস্ট ২০২৫।

সি.আর. মামলা নং ২৭৯/২৩ অনুযায়ী, বাদী অভিযোগ করেছিলেন, আসামী জাহাঙ্গীর আলম ১ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য তাকে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। অভিযোগপত্রে সালিশ বৈঠকের উল্লেখ থাকলেও, উক্ত বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা বলা একজন সাক্ষী জেরা চলাকালে আদালতে জানান, তিনি আসামীকে ডাকার বিষয়ে কিছুই জানেন না।

এছাড়াও বাদী তার মামলায় তার পিতা বা ভাইকে সাক্ষী হিসেবে হাজির করতে পারেননি, যদিও তাদের উপস্থিতির কথা তিনি দাবি করেছিলেন। এসব অসামঞ্জস্যতার কারণে আদালত মামলাটি মিথ্যা বিবেচনায় খারিজ করে আসামীকে খালাস দেন এবং বাদীকে দণ্ডিত করেন।

পরে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ এর ২৫০ ধারায় বাদীকে শোকজ করা হয় এবং সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় আদালত তাকে অর্থদণ্ড প্রদান করেন।