০২:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনতার জোয়ারে আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়ার রাজকীয় বিদায়

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৬২৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ কেবল একটি সড়ক নয়—আজ তা পরিণত হয়েছিল এক বিশাল বাংলাদেশে। বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ঘিরে সেখানে সৃষ্টি হয় অভূতপূর্ব জনসমুদ্র। দল-মত নির্বিশেষে লাখো মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দাঁড়িয়েছিলেন জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিনের চারপাশে।


বেলা বাড়ার আগেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে শুরু করে সংসদ ভবন এলাকা, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, শাহবাগ, বাংলামোটর—সব সড়কই পরিণত হয় মানুষের ঢলে। কেউ দাঁড়িয়ে, কেউ ভবনের ছাদে বা ওভারব্রিজে উঠে শেষ দেখা দেখতে চেয়েছেন প্রয়াত নেত্রীকে।


বেলা তিনটার কিছু পর শুরু হয় জানাজা। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল মালেক ইমামতি করেন। জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে শেরেবাংলা নগরে স্বামী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে দাফন করা হয়।


দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সংগ্রাম, কারাবরণ ও ত্যাগের প্রতীক হয়ে ওঠা খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সমবেত লাখো মানুষের চোখে অশ্রু আর কণ্ঠে একটাই অনুভূতি—“খালেদা জিয়া শুধু একজন নেতা নন, তিনি একটি অনুভূতির নাম।”
রাজধানীর বাইরে রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা, কুষ্টিয়া, রাজবাড়ীসহ বিভিন্ন জেলায়ও গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সারাদেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।


বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায়ের এক অমর নাম। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি ছিলেন ‘আপসহীন নেত্রী’। আজ তিনি চিরশান্তিতে শায়িত—স্বামীর পাশেই, দেশের মাটিতে, যেই বাংলাদেশ ছিল তাঁর একমাত্র ঠিকানা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনতার জোয়ারে আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়ার রাজকীয় বিদায়

আপডেট সময় : ০৩:২৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ কেবল একটি সড়ক নয়—আজ তা পরিণত হয়েছিল এক বিশাল বাংলাদেশে। বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ঘিরে সেখানে সৃষ্টি হয় অভূতপূর্ব জনসমুদ্র। দল-মত নির্বিশেষে লাখো মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দাঁড়িয়েছিলেন জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিনের চারপাশে।


বেলা বাড়ার আগেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে শুরু করে সংসদ ভবন এলাকা, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, শাহবাগ, বাংলামোটর—সব সড়কই পরিণত হয় মানুষের ঢলে। কেউ দাঁড়িয়ে, কেউ ভবনের ছাদে বা ওভারব্রিজে উঠে শেষ দেখা দেখতে চেয়েছেন প্রয়াত নেত্রীকে।


বেলা তিনটার কিছু পর শুরু হয় জানাজা। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল মালেক ইমামতি করেন। জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে শেরেবাংলা নগরে স্বামী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে দাফন করা হয়।


দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সংগ্রাম, কারাবরণ ও ত্যাগের প্রতীক হয়ে ওঠা খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সমবেত লাখো মানুষের চোখে অশ্রু আর কণ্ঠে একটাই অনুভূতি—“খালেদা জিয়া শুধু একজন নেতা নন, তিনি একটি অনুভূতির নাম।”
রাজধানীর বাইরে রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা, কুষ্টিয়া, রাজবাড়ীসহ বিভিন্ন জেলায়ও গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সারাদেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।


বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায়ের এক অমর নাম। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি ছিলেন ‘আপসহীন নেত্রী’। আজ তিনি চিরশান্তিতে শায়িত—স্বামীর পাশেই, দেশের মাটিতে, যেই বাংলাদেশ ছিল তাঁর একমাত্র ঠিকানা।