০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শৃঙ্খলা ও নজরদারিতে মোহনপুর মৌসুমী ফিলিং স্টেশন নির্বিঘ্নে তেল সরবরাহ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৯:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৫৭৯ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার ত্রিমোহনী এলাকার মৌসুমি ফিলিং স্টেশনে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দিনব্যাপী শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে পেট্রোল বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

মোহনপুর থানা পুলিশের উপস্থিতি এবং স্থানীয় সমন্বিত উদ্যোগে কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা ছাড়াই তেল বিতরণ সম্পন্ন হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমে সারিবদ্ধভাবে মোটরসাইকেলে প্রতি এক হাজার টাকার তেল সরবরাহ করা হয়। পাশাপাশি কৃষি সেচযন্ত্রে লোড করে তেল দেওয়া হয়েছে, যা চলমান মৌসুমে কৃষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ট্যাগ অফিসার না থাকলেও পুরো ব্যবস্থাপনা ছিল নিয়ন্ত্রিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ। পাম্পের পেছন দিক দিয়ে মোটরসাইকেল প্রবেশ বন্ধ রাখতে কঠোর নজরদারি ছিল, ফলে অতীতের মতো কোনো সিন্ডিকেট কার্যক্রম চোখে পড়েনি।

এতে করে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল না পাওয়ার ভোগান্তি থেকে রেহাই পেয়েছেন গ্রাহকরা।

মেশিনে সাময়িক ত্রুটির কারণে প্রায় দুই ঘণ্টা বিক্রয় বন্ধ থাকলেও পরে পুনরায় কার্যক্রম শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তেল বিক্রি অব্যাহত থাকে।

লাইনে দাঁড়িয়ে তেল পাওয়া স্থানীয় ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল পাইনি। আজ কোনো ঝামেলা ছাড়াই দ্রুত তেল পেয়েছি। পরিবেশও অনেক নিয়ন্ত্রিত ছিল।”

ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক বোরহান উদ্দিন বলেন, “শৃঙ্খলাবদ্ধ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তেল বিতরণ হওয়ায় গ্রাহকদের ভোগান্তি কমেছে। এ ধরনের উদ্যোগ নিয়মিত হলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন।”

এদিকে মৌগাছি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউনুস আলী বলেন, “সরকারের ভাবমূর্তি উন্নয়ন এবং সাধারণ জনগণ ও কৃষকদের ভোগান্তি কমাতে আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি।

সিন্ডিকেটমুক্তভাবে সুষ্ঠু তেল বিতরণ নিশ্চিত করতে আমাদের পক্ষ থেকে ভাতিজা ইব্রাহিম, উজ্জ্বল, মিঠুসহ লোকজন তপ্তরোদে পুড়ে মাঠে কাজ করেছে। ফলে কোনো ঝামেলা ছাড়াই জনগণ তেল পেয়েছেন—এটা জেনে ভালো লাগছে। অনেকেই ফোন করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।”

স্থানীয়রা মনে করছেন, প্রশাসন ও স্থানীয় উদ্যোগের সমন্বয়ে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে তেল বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের পাশাপাশি জনদুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে এবং সরকারের সেবামূলক কার্যক্রমের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শৃঙ্খলা ও নজরদারিতে মোহনপুর মৌসুমী ফিলিং স্টেশন নির্বিঘ্নে তেল সরবরাহ

আপডেট সময় : ০৬:১৯:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার ত্রিমোহনী এলাকার মৌসুমি ফিলিং স্টেশনে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দিনব্যাপী শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে পেট্রোল বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

মোহনপুর থানা পুলিশের উপস্থিতি এবং স্থানীয় সমন্বিত উদ্যোগে কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা ছাড়াই তেল বিতরণ সম্পন্ন হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমে সারিবদ্ধভাবে মোটরসাইকেলে প্রতি এক হাজার টাকার তেল সরবরাহ করা হয়। পাশাপাশি কৃষি সেচযন্ত্রে লোড করে তেল দেওয়া হয়েছে, যা চলমান মৌসুমে কৃষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ট্যাগ অফিসার না থাকলেও পুরো ব্যবস্থাপনা ছিল নিয়ন্ত্রিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ। পাম্পের পেছন দিক দিয়ে মোটরসাইকেল প্রবেশ বন্ধ রাখতে কঠোর নজরদারি ছিল, ফলে অতীতের মতো কোনো সিন্ডিকেট কার্যক্রম চোখে পড়েনি।

এতে করে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল না পাওয়ার ভোগান্তি থেকে রেহাই পেয়েছেন গ্রাহকরা।

মেশিনে সাময়িক ত্রুটির কারণে প্রায় দুই ঘণ্টা বিক্রয় বন্ধ থাকলেও পরে পুনরায় কার্যক্রম শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তেল বিক্রি অব্যাহত থাকে।

লাইনে দাঁড়িয়ে তেল পাওয়া স্থানীয় ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল পাইনি। আজ কোনো ঝামেলা ছাড়াই দ্রুত তেল পেয়েছি। পরিবেশও অনেক নিয়ন্ত্রিত ছিল।”

ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক বোরহান উদ্দিন বলেন, “শৃঙ্খলাবদ্ধ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তেল বিতরণ হওয়ায় গ্রাহকদের ভোগান্তি কমেছে। এ ধরনের উদ্যোগ নিয়মিত হলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন।”

এদিকে মৌগাছি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউনুস আলী বলেন, “সরকারের ভাবমূর্তি উন্নয়ন এবং সাধারণ জনগণ ও কৃষকদের ভোগান্তি কমাতে আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি।

সিন্ডিকেটমুক্তভাবে সুষ্ঠু তেল বিতরণ নিশ্চিত করতে আমাদের পক্ষ থেকে ভাতিজা ইব্রাহিম, উজ্জ্বল, মিঠুসহ লোকজন তপ্তরোদে পুড়ে মাঠে কাজ করেছে। ফলে কোনো ঝামেলা ছাড়াই জনগণ তেল পেয়েছেন—এটা জেনে ভালো লাগছে। অনেকেই ফোন করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।”

স্থানীয়রা মনে করছেন, প্রশাসন ও স্থানীয় উদ্যোগের সমন্বয়ে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে তেল বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের পাশাপাশি জনদুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে এবং সরকারের সেবামূলক কার্যক্রমের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।