০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিরামপুরে মানব পাচার ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা মোকাবিলায় কর্মশালা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪১:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • / ৫৫৩ বার পড়া হয়েছে

মোঃ নয়ন মিয়া, দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুর বিরামপুরে সোমবার (১৬ মার্চ) বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ল্যাম্ব হেলথ–ইউকের আর্থিক সহযোগিতায় ল্যাম্ব-এর কমিউনিটি সেফটি শিল্ড (সিএসটু) প্রজেক্টের উদ্যোগে মানব পাচার ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা (এসজিবিভি) প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করার জন্য একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল ভুক্তভোগীদের জন্য কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করা।
কর্মশালায় সরকারি স্বাস্থ্য বিভাগ, উপজেলা প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, লিগ্যাল এইড সংস্থা, ধর্মীয় ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ এবং শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা মানব পাচার ও এসজিবিভি ঘটনার ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের দ্রুত, নিরাপদ এবং কার্যকর সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচনায় একটি কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থার মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, আইনি সহায়তা, নিরাপদ আশ্রয়, মানসিক সহায়তা এবং পুনর্বাসন সেবা দ্রুত ও সহজে নিশ্চিত করা সম্ভব বলে উল্লেখ করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা একটি সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন এবং জরুরি তথ্য আদান-প্রদানের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ শেয়ার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কমল কৃষ্ণ রায়, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোশাররত জাহান, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান, বিরামপুর থানা পুলিশের এসআই মোছাঃ মাহমুদা, এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ।
ল্যাম্ব-এর কমিউনিটি সেফটি শিল্ড (সিএসটু) প্রজেক্টের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রজেক্ট ম্যানেজার বিলাস পৌল তিগ্যা, রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ও প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মো. হাফিজুর রহমান, টেকনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর নিরঞ্জন বর্মনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, কর্মশালার মাধ্যমে প্রণীত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) এবং শক্তিশালী রেফারেল ব্যবস্থাপনা ভবিষ্যতে মানব পাচার ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ এবং ভুক্তভোগীদের সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিরামপুরে মানব পাচার ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা মোকাবিলায় কর্মশালা

আপডেট সময় : ১১:৪১:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

মোঃ নয়ন মিয়া, দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুর বিরামপুরে সোমবার (১৬ মার্চ) বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ল্যাম্ব হেলথ–ইউকের আর্থিক সহযোগিতায় ল্যাম্ব-এর কমিউনিটি সেফটি শিল্ড (সিএসটু) প্রজেক্টের উদ্যোগে মানব পাচার ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা (এসজিবিভি) প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করার জন্য একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল ভুক্তভোগীদের জন্য কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করা।
কর্মশালায় সরকারি স্বাস্থ্য বিভাগ, উপজেলা প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, লিগ্যাল এইড সংস্থা, ধর্মীয় ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ এবং শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা মানব পাচার ও এসজিবিভি ঘটনার ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের দ্রুত, নিরাপদ এবং কার্যকর সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচনায় একটি কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থার মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, আইনি সহায়তা, নিরাপদ আশ্রয়, মানসিক সহায়তা এবং পুনর্বাসন সেবা দ্রুত ও সহজে নিশ্চিত করা সম্ভব বলে উল্লেখ করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা একটি সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন এবং জরুরি তথ্য আদান-প্রদানের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ শেয়ার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কমল কৃষ্ণ রায়, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোশাররত জাহান, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান, বিরামপুর থানা পুলিশের এসআই মোছাঃ মাহমুদা, এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ।
ল্যাম্ব-এর কমিউনিটি সেফটি শিল্ড (সিএসটু) প্রজেক্টের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রজেক্ট ম্যানেজার বিলাস পৌল তিগ্যা, রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ও প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মো. হাফিজুর রহমান, টেকনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর নিরঞ্জন বর্মনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, কর্মশালার মাধ্যমে প্রণীত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) এবং শক্তিশালী রেফারেল ব্যবস্থাপনা ভবিষ্যতে মানব পাচার ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ এবং ভুক্তভোগীদের সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।