০৭:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অধ্যক্ষের গাফিলতিতে বাঘায় ৩৯ শিক্ষার্থীর এসএসসি অনিশ্চিত

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৮:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৫৭৯ বার পড়া হয়েছে

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪০ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৯ জনের পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণের টাকা নেওয়া হলেও তা যথাসময়ে পূরণ করা হয়নি বলে ভুক্তভোগীদের দাবি।


আগামী ২১ এপ্রিল দেশব্যাপী একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এর ঠিক আগে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানতে পারেন, ৩৯ জনের ফরম পূরণ হয়নি। এর মধ্যে আবার ৩৪ জন শিক্ষার্থীর নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনও সম্পন্ন করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।


এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পরীক্ষার মাত্র কয়েকদিন আগে এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।


অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ কামারুজ্জামান ১৫ এপ্রিল মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি দাবি করেন, কিছু জটিলতার কারণে প্রয়োজনীয় হার্ড কপি জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং দ্রুত ফরম পূরণ ও রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।


রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন ও এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের বিষয়ে তদবির চলছে। তবে বুধবার পর্যন্ত এসব কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি।


রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান বলেন, অধ্যক্ষ গত সোমবার বোর্ডে এসেছিলেন, কিন্তু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে আনেননি। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেওয়ার বিষয়টি অগ্রাধিকার দিয়ে দেখা হচ্ছে। পরবর্তীতে অধ্যক্ষের দায়-দায়িত্ব নিয়ে বোর্ড চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


এ বিষয়ে কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও বাঘা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাম্মী আক্তার বলেন, ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।


ঘটনাটি দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা, যাতে তারা নির্ধারিত সময়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অধ্যক্ষের গাফিলতিতে বাঘায় ৩৯ শিক্ষার্থীর এসএসসি অনিশ্চিত

আপডেট সময় : ০৪:৫৮:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪০ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৯ জনের পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণের টাকা নেওয়া হলেও তা যথাসময়ে পূরণ করা হয়নি বলে ভুক্তভোগীদের দাবি।


আগামী ২১ এপ্রিল দেশব্যাপী একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এর ঠিক আগে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানতে পারেন, ৩৯ জনের ফরম পূরণ হয়নি। এর মধ্যে আবার ৩৪ জন শিক্ষার্থীর নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনও সম্পন্ন করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।


এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পরীক্ষার মাত্র কয়েকদিন আগে এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।


অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ কামারুজ্জামান ১৫ এপ্রিল মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি দাবি করেন, কিছু জটিলতার কারণে প্রয়োজনীয় হার্ড কপি জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং দ্রুত ফরম পূরণ ও রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।


রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন ও এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের বিষয়ে তদবির চলছে। তবে বুধবার পর্যন্ত এসব কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি।


রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান বলেন, অধ্যক্ষ গত সোমবার বোর্ডে এসেছিলেন, কিন্তু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে আনেননি। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেওয়ার বিষয়টি অগ্রাধিকার দিয়ে দেখা হচ্ছে। পরবর্তীতে অধ্যক্ষের দায়-দায়িত্ব নিয়ে বোর্ড চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


এ বিষয়ে কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও বাঘা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাম্মী আক্তার বলেন, ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।


ঘটনাটি দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা, যাতে তারা নির্ধারিত সময়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন।