০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডিতে থাকতে স্নাতক পাস বাধ্যতামূলক: শিক্ষামন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৯:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • / ৬০৪ বার পড়া হয়েছে

এশিয়ান ভয়েস ২৪ প্রতিবেদন: দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডিতে সদস্য বা চেয়ারম্যান হতে হলে ন্যূনতম স্নাতক (গ্র্যাজুয়েট) পাস হতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান বা প্রেসিডেন্ট পদে থাকতে হলে স্নাতক ডিগ্রি ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে নির্ধারণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রার্থীর দক্ষতা ও যোগ্যতার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হবে।


তিনি বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময় এমন বিধান ছিল যেখানে নির্দিষ্ট কিছু পদধারী ব্যক্তিরাই এসব দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেতেন। ফলে অনেক ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে সুযোগ সৃষ্টি হতো এবং স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও উঠত।


মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান উদ্যোগের মাধ্যমে সেই সীমাবদ্ধতা দূর করে একটি স্বচ্ছ ও যোগ্যতাভিত্তিক কাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে করে যোগ্য ও দক্ষ ব্যক্তিরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন।


তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন এই নীতিমালা কার্যকর হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বাড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডিতে থাকতে স্নাতক পাস বাধ্যতামূলক: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:৫৯:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

এশিয়ান ভয়েস ২৪ প্রতিবেদন: দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডিতে সদস্য বা চেয়ারম্যান হতে হলে ন্যূনতম স্নাতক (গ্র্যাজুয়েট) পাস হতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান বা প্রেসিডেন্ট পদে থাকতে হলে স্নাতক ডিগ্রি ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে নির্ধারণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রার্থীর দক্ষতা ও যোগ্যতার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হবে।


তিনি বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময় এমন বিধান ছিল যেখানে নির্দিষ্ট কিছু পদধারী ব্যক্তিরাই এসব দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেতেন। ফলে অনেক ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে সুযোগ সৃষ্টি হতো এবং স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও উঠত।


মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান উদ্যোগের মাধ্যমে সেই সীমাবদ্ধতা দূর করে একটি স্বচ্ছ ও যোগ্যতাভিত্তিক কাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে করে যোগ্য ও দক্ষ ব্যক্তিরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন।


তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন এই নীতিমালা কার্যকর হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বাড়বে।