০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্ববাজারে অস্থিরতা, এপ্রিলেও অপরিবর্তিত জ্বালানি তেলের দাম

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • / ৫০৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে ওঠানামা থাকলেও দেশের বাজারে আপাতত কোনো পরিবর্তন আনছে না সরকার। ফলে এপ্রিল মাসজুড়েও আগের নির্ধারিত দামেই বিক্রি হবে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেন।


মঙ্গলবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, জ্বালানি তেলের মূল্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সেই অনুযায়ী মার্চ মাসের মতোই প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা, পেট্রল ১১৬ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকায় বিক্রি হবে।


সরকার গত বছরের মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি চালু করেছে। এর ফলে প্রতি মাসেই জ্বালানি তেলের নতুন দর নির্ধারণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর দামও আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারণ করছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।


বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, দেশে বছরে প্রায় ৭৫ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশই ডিজেল, যা মূলত কৃষি সেচ, পরিবহন ও জেনারেটরে ব্যবহৃত হয়। বাকি অংশের চাহিদা পূরণ হয় পেট্রল, অকটেন, কেরোসিনসহ অন্যান্য জ্বালানি দিয়ে।
বিপিসি আরও জানায়, পেট্রল ও অকটেন বিক্রি থেকে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত লাভ করে। অন্যদিকে, আগে জেট ফুয়েল ও ফার্নেস অয়েলের দাম সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকলেও এখন এসব জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। আর ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিশ্ববাজারে অস্থিরতা, এপ্রিলেও অপরিবর্তিত জ্বালানি তেলের দাম

আপডেট সময় : ০৩:৫৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে ওঠানামা থাকলেও দেশের বাজারে আপাতত কোনো পরিবর্তন আনছে না সরকার। ফলে এপ্রিল মাসজুড়েও আগের নির্ধারিত দামেই বিক্রি হবে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেন।


মঙ্গলবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, জ্বালানি তেলের মূল্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সেই অনুযায়ী মার্চ মাসের মতোই প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা, পেট্রল ১১৬ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকায় বিক্রি হবে।


সরকার গত বছরের মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি চালু করেছে। এর ফলে প্রতি মাসেই জ্বালানি তেলের নতুন দর নির্ধারণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর দামও আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারণ করছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।


বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, দেশে বছরে প্রায় ৭৫ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশই ডিজেল, যা মূলত কৃষি সেচ, পরিবহন ও জেনারেটরে ব্যবহৃত হয়। বাকি অংশের চাহিদা পূরণ হয় পেট্রল, অকটেন, কেরোসিনসহ অন্যান্য জ্বালানি দিয়ে।
বিপিসি আরও জানায়, পেট্রল ও অকটেন বিক্রি থেকে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত লাভ করে। অন্যদিকে, আগে জেট ফুয়েল ও ফার্নেস অয়েলের দাম সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকলেও এখন এসব জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। আর ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।