০২:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মোহনপুরে মিরাকেল ওয়াটার পার্কে ৩৮ লাখ টাকার মালামাল চুরি, চোরকে খুঁজছে পুলিশ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ৭৪৩ বার পড়া হয়েছে

মোহনপুর প্রতিনিধি: রাজশাহীর মোহনপুর থানা এলাকার মৌগাছি ইউপি’র খয়রাতে অবস্থিত মিরাকেল ওয়াটারপার্ক এ্যান্ড রিসোর্ট এ দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।

৫ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে বারোটা হতে রাত আড়াইটা পর্যন্ত চুরির ঘটনা ঘটে।

এঘটনায় পার্কের প্রায় ৩৮ লাখ টাকার মালামাল চুরি হয়েছে বলে দাবি করে মিরাকেল ওয়াটারপার্ক এ্যান্ড রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ।

থানা পুলিশ ও অভিযোগ সুত্রে যায়, রাত সাড়ে ১২ টার দিকেে একজন লোক পার্কের গেট টপকিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে নাইট গার্ডকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে। তারপর চাবি দিয়ে মেইন গেট খুলে ১ জন ব্যক্তি ট্রাক নিয়ে প্রতিষ্ঠানের ভিতরে প্রবেশ করে চোরেরা মিরাকেল পার্ক এন্ড রিসোর্ট লিঃ এর অফিস কক্ষের তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে একটি আইপিএস, পিসি, এইচপি মনিটর, ২টি সিসি ক্যামেরা ডিভিআর, দুইটি ডেলটাপ্যাক ব্যাটারি,৩০ লিটার ডিজেল তেল, ১১০ ফিট ক্যাবল, ১টি ট্রান্সফরমা এর কয়েল, দুইটি ভ্যাকুয়াম পাম্প, তিনটি ড্রেনেজ প্যাম্প, দুইটি ফ্রিটার পাম্প, একটি ফ্রিজ, একটি ওভেন, তেরটি মেশিনারিজ, দুইটি সাউন্ড বক্স, একটি ব্লোয়ার, বুল রাইড মেশিন যার আনুমানিক মূল্য সায়ত্রিশ লাখ ছিয়াশি হাজার একশত বিশ টাকা মালামাল নিয়ে যায়।

সকাল অনুমান ৪টা ৪৫ ঘটিকার সময় নাইট গার্ড জাহাঙ্গীর আলম হাত বাধা অবস্থায় পার্কের বাহিরে আসিয়া চিৎকার চেচামেচি করলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে। চোররা নাইট গার্ডকে বেধে রাখলেও তার শরীরে মারধোর কিংবা বেঁধে রাখার কোন চিহ্ন পায়নি পুলিশ।

খবর পেয়ে ৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার সকালে মোহনপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আতাউর রহমান সঙ্গীয় অফিসারসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এবিষয়ে মিরাকেল ওয়াটারপার্ক এ্যান্ড রিসোর্ট ম্যানেজার জনি জানান, চোরেরা ৫টি তালা কেটে সকল প্রকার বৈদ্যুতিক ও রেষ্টুরেন্ট আইটেমসহ প্রায় ৩৮ লাখ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে।

মোহনপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আতাউর রহমান জানান, পার্কে চুরির ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে পুলিশের একটি টিম কাজ করছে। দ্রুত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করে চোরদের গ্রেফতার করা হবে।

তবে এঘটনায় স্থানীয়রা বলছে ভিন্ন কথা তারা মনে করছেন পার্কের জমি ব্যাংকের কাছে মর্গেজ থাকায় লস গুনছে পার্ক কর্তৃপক্ষ। সেকারণেই নিজেরা এমন ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে বলেও মন্তব্য করছেন অনেকেই।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মোহনপুরে মিরাকেল ওয়াটার পার্কে ৩৮ লাখ টাকার মালামাল চুরি, চোরকে খুঁজছে পুলিশ

আপডেট সময় : ১২:৩৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

মোহনপুর প্রতিনিধি: রাজশাহীর মোহনপুর থানা এলাকার মৌগাছি ইউপি’র খয়রাতে অবস্থিত মিরাকেল ওয়াটারপার্ক এ্যান্ড রিসোর্ট এ দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।

৫ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে বারোটা হতে রাত আড়াইটা পর্যন্ত চুরির ঘটনা ঘটে।

এঘটনায় পার্কের প্রায় ৩৮ লাখ টাকার মালামাল চুরি হয়েছে বলে দাবি করে মিরাকেল ওয়াটারপার্ক এ্যান্ড রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ।

থানা পুলিশ ও অভিযোগ সুত্রে যায়, রাত সাড়ে ১২ টার দিকেে একজন লোক পার্কের গেট টপকিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে নাইট গার্ডকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে। তারপর চাবি দিয়ে মেইন গেট খুলে ১ জন ব্যক্তি ট্রাক নিয়ে প্রতিষ্ঠানের ভিতরে প্রবেশ করে চোরেরা মিরাকেল পার্ক এন্ড রিসোর্ট লিঃ এর অফিস কক্ষের তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে একটি আইপিএস, পিসি, এইচপি মনিটর, ২টি সিসি ক্যামেরা ডিভিআর, দুইটি ডেলটাপ্যাক ব্যাটারি,৩০ লিটার ডিজেল তেল, ১১০ ফিট ক্যাবল, ১টি ট্রান্সফরমা এর কয়েল, দুইটি ভ্যাকুয়াম পাম্প, তিনটি ড্রেনেজ প্যাম্প, দুইটি ফ্রিটার পাম্প, একটি ফ্রিজ, একটি ওভেন, তেরটি মেশিনারিজ, দুইটি সাউন্ড বক্স, একটি ব্লোয়ার, বুল রাইড মেশিন যার আনুমানিক মূল্য সায়ত্রিশ লাখ ছিয়াশি হাজার একশত বিশ টাকা মালামাল নিয়ে যায়।

সকাল অনুমান ৪টা ৪৫ ঘটিকার সময় নাইট গার্ড জাহাঙ্গীর আলম হাত বাধা অবস্থায় পার্কের বাহিরে আসিয়া চিৎকার চেচামেচি করলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে। চোররা নাইট গার্ডকে বেধে রাখলেও তার শরীরে মারধোর কিংবা বেঁধে রাখার কোন চিহ্ন পায়নি পুলিশ।

খবর পেয়ে ৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার সকালে মোহনপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আতাউর রহমান সঙ্গীয় অফিসারসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এবিষয়ে মিরাকেল ওয়াটারপার্ক এ্যান্ড রিসোর্ট ম্যানেজার জনি জানান, চোরেরা ৫টি তালা কেটে সকল প্রকার বৈদ্যুতিক ও রেষ্টুরেন্ট আইটেমসহ প্রায় ৩৮ লাখ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে।

মোহনপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আতাউর রহমান জানান, পার্কে চুরির ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে পুলিশের একটি টিম কাজ করছে। দ্রুত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করে চোরদের গ্রেফতার করা হবে।

তবে এঘটনায় স্থানীয়রা বলছে ভিন্ন কথা তারা মনে করছেন পার্কের জমি ব্যাংকের কাছে মর্গেজ থাকায় লস গুনছে পার্ক কর্তৃপক্ষ। সেকারণেই নিজেরা এমন ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে বলেও মন্তব্য করছেন অনেকেই।